বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়নমুখী নীতি গ্রহণে অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ডিএসই’র

বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়নমুখী নীতি গ্রহণে অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ডিএসই’র

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজার উন্নয়ন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে গৃহীত নীতিমালাকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)।


১১ জুন ২০২৬ তারিখে বাজেট উপস্থাপনের পর ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, এমপি-কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।


তিনি বলেন, পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের প্রত্যাশা ও প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বাজেটে যেসব সময়োপযোগী নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা দেশের পুঁজিবাজারকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


ডিএসই চেয়ারম্যান জানান, পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রথমবারের মতো পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ এবং অর্থমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্য বাজার-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে নতুন আশাবাদ ও ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


তিনি আরও বলেন, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ও পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারে বাজেটে গৃহীত উদ্যোগ বাজার পরিচালনায় দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বাড়াবে। এর ফলে একটি সমন্বিত, কার্যকর ও শক্তিশালী বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে, যা দীর্ঘমেয়াদে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


ডিএসই চেয়ারম্যান বিশেষভাবে NITA হিসাব পরিচালনা প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারের গভীরতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


তিনি আরও উল্লেখ করেন, ডিএসই ইতোমধ্যে T+2 সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা থেকে ধাপে ধাপে T+1 এবং পরবর্তীতে T+0 সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে লেনদেন নিষ্পত্তি আরও দ্রুত, নিরাপদ ও দক্ষ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাজার অবকাঠামো গড়ে উঠবে।


ডিএসই মনে করে, সরকারের ধারাবাহিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ, নীতিগত সহায়তা এবং পুঁজিবাজারের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেশের ক্রমবর্ধমান পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে আরও শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও টেকসই ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করবে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এবং একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পুঁজিবাজার গড়ে উঠবে।